বাংলাদেশ

মতামত

খেলা

বিনোদন

জীবনযাপন

তারুণ্য

কিড জোন

অন্যান্য

রেস-জেন্ডার

ফ্যাক্ট চেক

স্বাস্থ্য

আন্তর্জাতিক

শিক্ষা

অর্থ-বাণিজ্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি

‘মাঝেমধ্যে টানাপোড়েন হলেও বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে বন্ধন অটুট’

  •    
  • ২২ আগস্ট, ২০২২ ১২:৩৯

এম এ মান্নান বলেন, ‘বিশ্বব্যাংক কেবল ঋণসহ সার্বিক সহায়তা দিচ্ছে আর বাংলাদেশ কেবল নিচ্ছে বিষয়টা এমনটা না, দ্বিপাক্ষিক এ সম্পর্কে উভয়ই লাভবান হচ্ছে। মাঝেমধ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন হলেও বন্ধন অটুট।’ 

মাঝেমধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েন হলেও বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে বাংলাদেশের বন্ধন অটুট আছে বলে মন্তব্য করেছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।

সোমবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে বিশ্বব্যাংক ঢাকা অফিসের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি মিয়াং টেম্বন বিদায়ী সাক্ষাতে গেলে এ সময় হওয়া বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের কাছে এই মন্তব্য করেন মন্ত্রী।

এম এ মান্নান বলেন, ‘বিশ্বব্যাংক কেবল ঋণসহ সার্বিক সহায়তা দিচ্ছে আর বাংলাদেশ কেবল নিচ্ছে বিষয়টা এমনটা না, দ্বিপাক্ষিক এ সম্পর্কে উভয়ই লাভবান হচ্ছে। মাঝেমধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েন হলেও বন্ধন অটুট।’

তিনি বলেন, ‘বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে আমাদের চলমান সম্পর্ক। মাঝেমধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েন হলেও উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে এ দেশের উন্নয়নে বিশ্বব্যাংকের ভূমিকা রয়েছে।’

বহুল প্রতীক্ষিত পদ্মা সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেয়ার পর দুর্নীতির ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলে অর্থায়ন গুটিয়ে নিয়েছিল বিশ্বব্যাংক; এখন অবশ্য সে প্রতিষ্ঠানটিই সেতুর বিপুল সম্ভাবনা নিয়ে উচ্ছ্বসিত।

পদ্মা সেতু উদ্বোধনের আগে গত ২৩ জুন নিউজবাংলাকে দেয়া সাক্ষাৎকারে মার্সি মিয়াং টেম্বন বলেছিলেন, পদ্মা সেতু বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়াতে বিশাল অবদান রাখবে।

সাংবাদিকদের পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘মার্সি টেম্বন উন্নয়ন দেখে গেলেন। তার সামনেই পদ্মা সেতু উদ্বোধন করা হয়েছে।’

দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা নিয়ে তিনি বলেন, ‘আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে দেশের অর্থনৈতিক অস্থিরতা স্বাভাবিক পর্যায়ে ফিরবে। প্রবাসী বৃদ্ধি, আমদানিতে চাপ কমে আসাসহ নানা অর্থনৈতিক সূচকে ইতিবাচক ধারার দেখা যাওয়ায় এমন আশা করা হচ্ছে।’

বিশ্বব্যাংকের ঋণ কোন খাতে অগ্রাধিকার পাবে- এমন প্রশ্নে মন্ত্রী বলেন, ‘যেসব খাতে ঋণ দিলে আউটপুট আসবে, সেসব খাতে আমরা ঋণ নেব। আমার মতে শিক্ষা, গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, দারিদ্র্য নিরসন এবং পাবলিক অবকাঠামো উন্নয়নে জন্য আরও ঋণ দরকার।’

তিনি আরও বলেন, ‘যারা বেইল আউটের কথা বলে তারা ভুল বলে। এটা ঠিক নয়। বেইল আউট এই অঞ্চলে শুধু শ্রীলঙ্কার হয়েছে। আগামী সেপ্টেম্বরের পর আমরা আগের অবস্থানে ফিরে যাব বলে আশা করছি।’

‘ধারাবাহিক উন্নয়নে অবদান রাখায় আমি গর্বিত’

বিদায়ী সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের মার্সি টেম্বন বলেন, ‘এ দেশে বিশ্বব্যাংকের বিনিয়োগ ও সরকারের নীতি-কৌশলের কারণে তিন ধরনের উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে, বিশেষ করে আর্থসামাজিক খাতে।

‘অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মাধ্যমে এ দেশে মধ্যম আয়ের দেশে যাওয়ার পথে রয়েছে। গত তিন বছরে এ দেশের ধারাবাহিক উন্নয়নে অবদান রাখায় আমি গর্বিত।’

তিনি বলেন, ‘বিশ্বের মধ্যে বাংলাদেশ ঋণ সহায়তার দিক থেকে এগিয়ে। এ ঋণ সহায়তা প্রোগ্রামে ৫৫টি প্রকল্পের আওতায় ১৫ বিলিয়ন ডলার অর্থ ছাড়ের প্রতিশ্রুতি রয়েছে, আমরা নতুন করে আবারও সহযোগিতা চুক্তিতে যাচ্ছি, যেখানে চাইলে মিলবে সব রকম সহায়তা। আমরা গত তিন বছরে এখন ৭ দশমিক ৯ বিলিয়ন অর্থ ছাড় করেছি।’

মার্সি টেম্বন বলেন, ‘বাংলাদেশে কাজ করা সত্যিই ভালো অভিজ্ঞতা, বিশেষত এখানকার মানুষ কঠোর পরিশ্রমী। বাংলাদেশে কাজ করে আমি নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করি। বাংলাদেশে মানুষের যেকোনো পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর সক্ষমতা আছে। বাংলাদেশ অনেক ক্ষেত্রে উন্নতি করেছে। বিশ্বব্যাংক এই উন্নয়নের সঙ্গে সম্পৃক্ত আছে এবং থাকবে।’

এ বিভাগের আরো খবর