চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএম কনটেইনার ডিপোতে বিস্ফোরণ ও আগুনের ঘটনায় গত রোববার থেকে বুধবার ভোর সাড়ে ৫টা পর্যন্ত তিন দিনে ২০ জনকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।
সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারীতে নেদারল্যান্ডস ও বাংলাদেশের যৌথ মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান বিএম কনটেইনার ডিপোতে শনিবার রাত ৯টার দিকে লাগা আগুন ও বিস্ফোরণে এ পর্যন্ত ৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। দগ্ধ ও আহত হয়েছেন দুই শতাধিক। এদের অধিকাংশের চিকিৎসা চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে হচ্ছে। গুরুতর দগ্ধদের পাঠিয়ে দেয়া হচ্ছে রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডাক্তার এস এম আইয়ুব হোসেন। তিনি বলেন, ‘২০ জনের মধ্যে চারজন নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন আছেন। এরা হলেন ফায়ার ফাইটার মো. রবিন (৬০ শতাংশ দগ্ধ), গাউসুল আজম (৮০ শতাংশ দগ্ধ), মাকফারুল ইসলাম (১২ শতাংশ দগ্ধ) ও ফরমানুল ইসলাম (৩০ শতাংশ দগ্ধ)। তারাসহ ২০ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
দগ্ধ ব্যক্তিরা হলেন ফায়ার ফাইটার মো. গাউসুল আজম ও মো. রবিন মিয়া, মো. মাসুম মিয়া ও মো. ফরমানুল ইসলাম। এদের বয়স ২২ থেকে ৩০-এর মধ্যে।
শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট। ছবি: নিউজবাংলা
এ চারজন ছাড়া বাকি ১৬ জনের চিকিৎসা পোস্ট অপারেটিভ ইউনিটে চলছে। তারা হলেন মো. রুবেল মিয়া, মো. ফারুক হোসেন, মো. হোসেন মহিবুল্লাহ, মো. আমিন, মো. মইনুল হক, মো. রাসেল, মো. ফারুক হোসেন, মো, খালেদুর রহমান, একেএম মাকফারুল ইসলাম, এস আই কামরুল ইসলাম, মো. নজরুল মন্ডল, মো. সজীব মিয়া, মো. এনামুল, মো. বদরুজ্জামান রুবেল, মো. সুমন হাওলাদার ও মোহাম্মদ শরীফ।
তিনজন রোগীকে ঢাকা মেডিক্যালে পাঠানো হয়েছে। তারা হলেন খালেদুর রহমান ঢাকা মেডিক্যাল বার্ন ইউনিটের (কোভিড) শাখায়, রাসেল ও এনামুল ইসলাম ঢাকা মেডিক্যালে সার্জারি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন।