ময়মনসিংহের নান্দাইলে এক মাদ্রাসাশিক্ষকের পুরুষাঙ্গ কেটে নেয়ার অভিযোগে পুলিশ আটক করেছে আবাসিক এক ছাত্রকে। ১৬ বছর বয়সী এ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে। শিক্ষক ভর্তি হাসপাতালে।
নান্দাইল মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) বাবলু রহমান খান নিউজবাংলাকে জানান, বুধবার রাতে উপজেলার বেতাগৈর ইউনিয়নের পলাশিয়া গ্রামে পুরুষাঙ্গ কর্তনের এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত ছাত্রকে আটক করা হয়েছে। মামলা প্রক্রিয়াধীন।
পুলিশ হেফাজতে থাকা শিক্ষার্থীর দাবি, শিক্ষক আতাবুর রহমান বুধবার রাতে খাবারের দাওয়াত দিয়ে বাড়িতে নিয়ে যেতে চান ছাত্রকে। পথিমধ্যে তিনি ছাত্রকে কাছে টেনে নিয়ে শরীরের বিভিন্ন অংশে হাত বোলাতে থাকেন। এক পর্যায়ে বলাৎকারের চেষ্টা হলে ছাত্র পকেটে থাকা 'নেইল কাটার' দিয়ে শিক্ষকের পুরুষাঙ্গে আঘাত করেন। এরপর পালাতে গেলে লোকজন ছাত্রকে ধরে পুলিশে সোপর্দ করে।
রক্তাক্ত অবস্থায় শিক্ষক আতাবুরকে উদ্ধার করে এলাকার লোকজন হাসপাতালে নেন। তিনি বর্তমানে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি আছেন। ঘটনার ব্যাপারে তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।
পুলিশ জানায়, বুধবার রাতে খারুয়া ইউনিয়নের টাওয়াইল গ্রামে ওয়াজ মাহফিল চলছিল। মাদ্রাসা মাঠের সেই মাহফিলে অন্যদের পাশাপাশি অংশ নেন শিক্ষক ও ছাত্র। আবাসিক ছাত্রকে রাতে মাদ্রাসায় না পাঠিয়ে নিজ বাড়িতে নেয়ার চেষ্টা করেন শিক্ষক। তখন পথে ঘটে পুরুষাঙ্গ কর্তনের ঘটনা।
নান্দাইল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান আকন্দ বৃহস্পতিবার রাতে বলেন, ‘মামলা করতে মাদ্রাসাশিক্ষকের বাবা থানায় এসেছেন। মামলা হলে ছাত্রকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হবে।’