লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার সীমান্ত এলাকায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে নিহত দুই বাংলাদেশির মরদেহ তিন দিনেও ফেরত আসেনি।
এদিকে মরদেহ দুটি ফেরতের সম্ভাবনাও কম বলে আশঙ্কা করছেন উপজেলার গোড়ল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান।
গত শুক্রবার ভোরে উপজেলার বুড়িরহাট-লোহাকুচি সীমান্তের মাঝামাঝি এলাকায় সীমান্তের ৯১৭.৫ এস পিলার হয়ে ভারত থেকে গরু আনতে গিয়ে বিএসএফের গুলিতে নিহত হন দুই বাংলাদেশি।
তারা হলেন কালীগঞ্জ উপজেলার ময়নাচড়া মালগাড়া এলাকার ইদ্রিস আলী ও আসাদুজ্জামান ভাষানী।
ভাষানীর ভাই মাসুদ রানা বলেন, ‘আমার ভাইকে ইন্ডিয়ান বিএসএফ গুলি করে হত্যা করেছে। দেশে কি আইন নাই? হত্যা করেছে করুক, লাশ তো ফেরত পাওয়ার অধিকার আছে আমাদের। আমরা সরকারের কাছে অনুরোধ জানাই, আমার ভাইয়ের লাশটা যেন দ্রুত ফেরত দেয়।’
এ বিষয়ে গোড়ল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাইদুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘নিহত দুজনের পরিবার আমার কাছে লাশ ফেরতের বিষয়ে বারবার যোগাযোগ করছে। সে কারণে আমি বিজিবির সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলাম। তবে তারা লাশ ফেরতের বিষয়ে কিছুই জানায়নি।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিজিবির দাবি, তারা লাশ ফেরতের বিষয়ে কিছুই জানে না। আজ (রোববার) তিন দিন হলেও এখন পর্যন্ত লাশ ফেরত দেয়নি বিএসএফ। মনে হয় লাশ ফেরতের সম্ভাবনাও কম।’
এ বিষয়ে লালমনিরহাট-১৫ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তৌহিদুল আলমকে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।