বাংলাদেশ

মতামত

খেলা

বিনোদন

জীবনযাপন

তারুণ্য

কিড জোন

অন্যান্য

রেস-জেন্ডার

ফ্যাক্ট চেক

স্বাস্থ্য

আন্তর্জাতিক

শিক্ষা

অর্থ-বাণিজ্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি

ইভ্যালির রাসেল-নাসরিনের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের মামলা

  •    
  • ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ১২:৫০

গুলশান বিভাগের উপকমিশনার মো. আসাদুজ্জামান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘মামলাটি করেছেন আরিফ বাকের নামের এক ভুক্তভোগী গ্রাহক। পণ্য কেনার জন্য অর্ডার করে নির্ধারিত পরিমাণ টাকা জমা দিয়েও পণ্য না পেয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এনেছেন তিনি।’

আলোচিত ই-কমার্সভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির সিইও মো. রাসেল ও তার স্ত্রী প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনের বিরুদ্ধে গুলশান থানায় অর্থ আত্মসাতের মামলা হয়েছে।

গুলশান বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মো. আসাদুজ্জামান বৃহস্পতিবার দুপুরে বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, মামলাটি করেছেন আরিফ বাকের নামের এক ভুক্তভোগী গ্রাহক। পণ্য কেনার জন্য অর্ডার করে নির্ধারিত পরিমাণ টাকা জমা দিয়েও পণ্য না পেয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এনেছেন তিনি।

গুলশান থানার ডিউটি অফিসার উপপরিদর্শক (এসআই) অনিন্দ তালুকদার জানান, আরিফ বাকের নামের ইভ্যালির একজন গ্রাহক মামলাটি করেছেন। মামলা নম্বর-১৯।

মামলার বাদীর অভিযোগ, গত ২৯ মে ইভ্যালির চমকপ্রদ বিজ্ঞাপন দেখে তিনি ও তার বন্ধুরা কয়েকটি পণ্য অর্ডার করেন। ২৯ মে থেকে ১৯ জুনের মধ্যে ছয়টি অর্ডারের বিপরীতে মোট ৩ লাখ ১০ হাজার ৫৯৭ টাকা পরিশোধ করেন।

এজাহারে বলা হয়, পণ্যগুলো ৭ থেকে ৪৫ কার্যদিবসের মধ্যে ডেলিভারি দেবে এবং নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে পণ্য সরবরাহে ব্যর্থ হলে উক্ত প্রতিষ্ঠান সব টাকা ফেরত প্রদানে অঙ্গীকারবদ্ধ ছিল।

বাদী বলেন, ‘নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পণ্যগুলো না পাওয়ায় আমি বহুবার ইভ্যালির কাস্টমার কেয়ারের প্রতিনিধির ফোন নম্বরে ফোন করি। সবশেষ গত ৫ সেপ্টেম্বর যোগাযোগ করেও আমার অর্ডার করা পণ্যগুলো পাওয়ার চেষ্টা করে ব্যর্থ হই। প্রতিবার তারা আমার পণ্যগুলো দিয়ে দিচ্ছে বলে আশ্বস্ত করে যাচ্ছিল।’

এজাহারে বাদী বলেছেন, গত ৯ সেপ্টেম্বর আরিফ ও তার দুই বন্ধু ইভ্যালির অফিসে যান। সিইও রাসেলের সঙ্গে দেখা করতে চাইলে বাধা পেয়ে ফিরে আসেন। পরদিন তারা আবার যান ইভ্যালি অফিসে। অফিস প্রতিনিধিরা আরিফ ও তার বন্ধুদের সঙ্গে চিৎকার-চেঁচামেচি করেন। এসব শুনে ভেতর থেকে সিইও রাসেল বেরিয়ে আসেন এবং তিনি হুমকি ও ভয়ভীতি দেখান।

বাদী বলেন, ‘একপর্যায়ে অফিসের ভেতরে থাকা ইভ্যালির সিইও রাসেল সাহেব উত্তেজিত হয়ে তার রুম থেকে বেরিয়ে এসে আমাকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন এবং আমাদের পণ্য অথবা টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানান। আমাদের প্রাণনাশের হুমকিও প্রদান করেন।

‘তখন ইভ্যালির চেয়ারম্যানও সেখানে উপস্থিত হয়ে পণ্য অথবা টাকা প্রদানে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করেন। তিনিও আমাদের ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদানসহ চরম দুর্ব্যবহার করেন, যার ফলে আমরা চরম আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে দিন যাপন করছি এবং পণ্যগুলো বুঝে না পাওয়ায় আমি আর্থিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি।’

মামলায় ৩ লাখ ১০ হাজার ৫৯৭ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলা নিয়ে দুই থানার ঠেলাঠেলি

বৃহস্পতিবার দুপুরে গুলশান থানার পুলিশ ইভ্যালির সিইও এবং চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মামলা নিলেও বুধবার রাত থেকে মামলাটি কোন থানায় হবে, তা নিয়ে ঠেলাঠেলিতে পড়েন ভুক্তভোগী গ্রাহক আরিফ বারেক।

অভিযোগ নিয়ে গুলশান থানা থেকে ধানমন্ডি থানায়; ধানমন্ডি থানা থেকে গুলশান থানায় ঘুরতে হয় তাকে। গুলশান থানা জানায়, ইভ্যালির অফিস ধানমন্ডিতে আর ধানমন্ডি থানা জানায়, অনলাইন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা যেকোনো থানাতেই হতে পারে, গুলশান থানায় মামলাটি করা যেতে পারে। শেষ পর্যন্ত গুলশান থানায় হয় মামলাটি।

এ বিভাগের আরো খবর