রাজধানীর কলাবাগান এলাকায় ‘ও’ লেভেলের এক ছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে মামলা করেছেন ছাত্রীর বাবা।
বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে কলাবাগান থানায় মামলাটি করেন তিনি।
কলাবাগান থানার পরিদর্শক (অপারেশনস) ঠাকুর দাস জানান, মামলায় ফারদিন ইফতেখার দিহান নামের একজনকে আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনায় তিনি আগে থেকেই পুলিশ হেফাজতে আছেন। তাকে আদালতে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।
নিহত শিক্ষার্থীর ময়নাতদন্ত এখনও হয়নি বলে জানান ঠাকুর দাস। তিনি বলেন, ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
আনোয়ার খান মডার্ন হসপিটালে বৃহস্পতিবার ও লেভেলের ওই শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়।
ওই ছাত্রীর মা নিউজবাংলাকে জানান, তার মেয়ে কোচিংয়ের ওয়ার্কশিট আনার কথা বলে বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় বাসা থেকে বের হয়। ওয়ার্কশিট নিয়ে পাশে এক ফ্রেন্ডের বাসা হয়ে বাসায় আসার কথা ছিল। কিন্তু পরে ওখান থেকে আমার মেয়েকে দিহান চাপে ফেলে তাদের কলাবাগানের বাসায় নিয়ে যায়।
‘সোয়া একটার দিকে দিহান আমাকে ফোন দিয়ে বলে আমার মেয়েকে আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালে নিয়ে আসছে। দিহান আমায় ফোনে বলে আন্টি ও সেন্সলেস হয়ে গেছে।’
ওই ছাত্রীর নিহতের পর হাসপাতাল থেকেই ফারদিনকে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয় বলে জানান রমনা বিভাগের নিউমার্কেট জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার আবুল হাসান।
তিনি বলেন, ‘আমরা ছেলেটাকে জিজ্ঞাসাবাদ করি। সে বলে, মেয়েটাকে বাসায় নিয়ে গিয়েছিল। তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল বলে ছেলেটা দাবি করেছে। মেয়েটাকে বাসায় নেয়ার পরে তাকে সে ধর্ষণ করে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে মেয়েটার মৃত্যু হয়েছে বলে আমরা প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি।’