অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থপাচারের অভিযোগে সংসদ সদস্য কাজী শহিদ ইসলাম পাপুল ও তার স্ত্রীসহ চার জনের বিরুদ্ধে মামলার প্রতিবেদন জমার দিন পিছিয়ে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি করেছে আদালত।
রোববার দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলাটির প্রতিবেদন জমা দেয়ার দিন ছিল। তবে তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদন দিতে না পারায় ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ কেএম ইমরুল কায়েশ ১৪ ফেব্রুয়ারি পরবর্তী দিন নির্ধারণ করেন।
১২ নভেম্বর একই আদালত মামলার এজাহার নিয়ে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ১২ ডিসেম্বর দিন নির্ধারণ করেছিল। গত ১১ নভেম্বর দুদকের উপপরিচালক মো. সালাহউদ্দিন মামলাটি করেন৷
মামলার অন্য আসামিরা হলেন পাপুলের স্ত্রী সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সেলিনা ইসলাম, মেয়ে ওয়াফা ইসলাম ও শ্যালিকা জেসমিন আক্তার৷
মামলায় তাদের বিরুদ্ধে দুই কোটি ৩১ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং ১৪৮ কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ আনা হয়।
অর্থ ও মানবপাচারের অভিযোগে কুয়েতে গ্রেফতারের পর সেখানকার কারাগারে আছেন লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য পাপুল৷
গত ২৬ ফেব্রুয়ারি কাজী শহীদুল ইসলাম পাপুলের বিরুদ্ধে মানবপাচারসহ জ্ঞাত আয়বহির্ভূত উপায়ে শত শত কোটি টাকা অর্জন করে হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশে পাচারের অভিযোগ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় দুদক।