বাংলাদেশ

মতামত

খেলা

বিনোদন

জীবনযাপন

তারুণ্য

কিড জোন

অন্যান্য

রেস-জেন্ডার

ফ্যাক্ট চেক

স্বাস্থ্য

আন্তর্জাতিক

শিক্ষা

অর্থ-বাণিজ্য

বিজ্ঞান-প্রযুক্তি

‘নৈঃশব্দে ৭১’ নাটকে বাংলাদেশের অভ্যুদয়

  •    
  • ২৮ জুন, ২০২২ ২১:১৬

নির্মাতা রামেশ মেয়্যাপ্পান বলেন, ‘আমাকে যখন ইশারা ভাষায় বাংলাদেশের নামের তাৎপর্য ব্যাখ্যা করা হয়, তখন আমি এই দেশের ইতিহাসের পেছনের আবেগ বুঝতে সক্ষম হই। কষ্ট ও বেদনার অসাধারণ অভিব্যক্তির মাধ্যমে এই ইতিহাস তুলে ধরতে এই দুঃসাহসী দলটি যে আগ্রহ দেখিয়েছে তা সত্যিই অতুলনীয়।’

সম্প্রতি ঢাকা থিয়েটারের সঙ্গে অংশীদারত্বে ‘নৈঃশব্দে ৭১’ নাটক মঞ্চায়ন করেছে ব্রিটিশ কাউন্সিল। রাজধানীর নিউ বেইলি রোডে অবস্থিত বাংলাদেশ মহিলা সমিতির নীলিমা ইব্রাহিম মিলনায়তনে মঙ্গলবার নাটকটি মঞ্চস্থ হয়েছে।

বাংলাদেশে ব্রিটিশ কাউন্সিলের ৭০ বর্ষপূর্তি এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি উদযাপনের অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ নেয়া হয়।

বাংলাদেশ যুদ্ধের আগে কেমন ছিল, কীভাবে যুদ্ধ শুরু হয় এবং যুদ্ধের পরিণতির গল্প তুলে ধরার মাধ্যমে ‘নৈঃশব্দে ৭১’ নাটকে বাংলাদেশের জন্ম ইতিহাস মঞ্চায়িত হয়। ফিজিক্যাল স্টোরি টেলিং কৌশল ব্যবহার করে নাটকটি মঞ্চায়ন করা হয়।

নাটকটি পরিচালনা করেন সিঙ্গাপুরের গ্লাসগো-ভিত্তিক মঞ্চ নাটক নির্মাতা রামেশ মেয়্যাপ্পান। তিনি একইসঙ্গে ভিজ্যুয়াল ও ফিজিক্যাল থিয়েটার স্টাইল সামঞ্জস্যের মাধ্যমে ব্যতিক্রমী পারফরমেন্স উপস্থাপন করেন।

৩০ মিনিটের এই পারফরমেন্সে অংশ নেন দেশের আটটি বিভাগীয় শহরের ১৫ জন শিল্পী। তারা অভিনয়ের বিভিন্ন পদ্ধতি অনুসরণের মাধ্যমে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে তুলে ধরেন।

সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ঢাকা থিয়েটারের সঙ্গে অংশীদারত্বে ব্রিটিশ কাউন্সিলের ডেয়ার (ডিজঅ্যাবিলিটি আর্টস রিডিফাইনিং অ্যামপাওয়ারমেন্ট) প্রকল্পের একটি অংশ এই কার্যক্রম। ডেয়ার প্রকল্পের লক্ষ্য দেশের ডিজঅ্যাবিলিটি এবং শিল্পকলা খাতের মধ্যে সেতুবন্ধ এবং আস্থার জায়গা তৈরি করা। এটি শারীরিক বা মানসিক অক্ষমতার সঙ্গে জড়িত সমাজের ভ্রান্ত ধারণা দূর করার পাশাপাশি শিল্পকলা, শারীরিক বা মানসিক অক্ষমতা ও সমাজের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করছে।

ঢাকা থিয়েটারের সঙ্গে অংশীদারত্বে ২০১৯ সালে ডেয়ার চালু হয়। এরপর থেকে এটি দেশের আটটি বিভাগীয় শহরে কাজ করছে। এই প্রকল্পের অধীনে ডিজঅ্যাবিলিটি আর্টের একটি টেকসই প্ল্যাটফর্ম তৈরির লক্ষ্যে ডিজঅ্যাবিলিটি থিয়েটার নিয়ে কীভাবে কাজ করা যায় সে সম্পর্কে আরও ভালো ধারণা পেতে বিশেষভাবে সক্ষম শিল্পী এবং স্থানীয় নাট্য সংগঠনের শিল্পীরা একসঙ্গে কাজ করছেন।

নির্মাতা রামেশ মেয়্যাপ্পান বলেন, ‘আমাকে যখন ইশারা ভাষায় বাংলাদেশের নামের তাৎপর্য ব্যাখ্যা করা হয়, তখন আমি এই দেশের ইতিহাসের পেছনের আবেগ বুঝতে সক্ষম হই। কষ্ট ও বেদনার অসাধারণ অভিব্যক্তির মাধ্যমে এই ইতিহাস তুলে ধরতে এই দুঃসাহসী দলটি যে আগ্রহ দেখিয়েছে তা সত্যিই অতুলনীয়।

‘এই মানুষগুলোর মনের কথা সবার সামনে প্রকাশের সুযোগ তৈরির মাধ্যমে সর্বস্তরের মানুষের কথা শোনা ও বোঝার প্রচেষ্টাকে এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য আমি ব্রিটিশ কাউন্সিল এবং ঢাকা থিয়েটারকে ধন্যবাদ জানাতে চাই।’

এ বিভাগের আরো খবর