করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকা বিষয়ে হতাশার খবর দিল চীন। বাংলাদেশকে ডিসেম্বরের আগে চীন থেকে টিকা কিনতে চাওয়ার আশা না করতে বলেছেন ঢাকায় দেশটির রাষ্ট্রদূত লি জিমিং।
সোমবার কূটনীতি-বিষয়ক সাংবাদিকদের সংগঠন ডিক্যাব-এর এক ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে তিনি এমনটা জানান।
লি জিমিং বলেন, ‘আপাতত আমি যেটুকু বলতে পারি, বাণিজ্যিকভাবে বাংলাদেশের টিকা কেনার জন্য আমার তরফ থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা আমি করব। তবে বেইজিংয়ে আমার সহকর্মীরা প্রথমে আমাকে যেটা বলেছে, ওই লাইন এত বেশি দীর্ঘ যে ডিসেম্বরের আগে টিকা পাওয়ার আশা না করাই ভালো।’
রাষ্ট্রদূত জানান, টিকা নিয়ে দুই দেশের সরকারের মধ্যে আলোচনা চলছে এবং বাংলাদেশে টিকা পাঠানোর বিষয়টি চীন ‘খুব ইতিবাচকভাবে’ দেখছে। কিন্তু সমস্যা হলো, বাংলাদেশ সরকার চীনের সিনোফার্মের টিকা জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে মাত্র এক সপ্তাহ আগে।
লি জিমিং বলেন, ‘টিকা পাওয়ার জন্য আন্তর্জাতিক বাজারে ক্রেতাদের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়েছে। আর স্বাভাবিকভাবেই বাংলাদেশ টিকার জন্য সেই লাইনের সম্মুভাগের খুব কাছাকাছি অবস্থানে নেই।
‘আমি বলতে চাইছি, সরকারি পর্যায়ে চীন থেকে কেনা টিকার প্রথম চালান হাতে পেতে আমাদের আরও কিছু সময় অপেক্ষা করতে হবে। আমি বেইজিংয়ে আমার সহকর্মীদের বলেছি, বাংলাদেশের জরুরি ভিত্তিতে টিকা দরকার। যত দ্রুত সম্ভব এখানে টিকা দরকার।’
চীনের সিনোফার্মের উৎপাদিত ‘বিবিআইবিপি-করভি’ টিকা আনার চেষ্টা করছে বাংলাদেশ। এ বিষয়ে ঢাকা-বেইজিংয়ের মধ্যে চুক্তিও হয়েছে। ডিসেম্বরের আগে বাংলাদেশের কাছে টিকা বেচতে না পারলেও উপহার হিসেবে আগামী বুধবারের মধ্যে ঢাকায় ৫ লাখ ডোজ পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন লি জিমিং।