মহামারির বছরে আগের বছরের তুলনায় কম আয় করলেও লভ্যাংশ কমায়নি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সাউথইস্ট ব্যাংক।
৩১ ডিসেম্বরে সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য শেয়ারধারীদেরকে এক টাকা হারে অর্থাৎ ১০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পরিচালনা পর্ষদ।
রোববার ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদ এই সিদ্ধান্ত নেয়।
গত দুই বছরও ব্যাংকটি একই হারে লভ্যাংশ বিতরণ করেছিল। তবে গত বছর শেয়ার প্রতি ৭৫ পয়সা নগদের পাশাপাশি আড়াই শতাংশ অর্থাৎ প্রতি ২০০ শেয়ারে ৫টি বোনাস শেয়ার দেয়া হয়েছিল। তার আগের বছর প্রতি ১০টি শেয়ারে একটি করে বোনাস শেয়ার দিয়েছিল কোম্পানিটি।
মহামারির বছরে এবার বেশির ভাগ ব্যাংকের আয় বাড়লেও সাউথ ইস্টের কমে গেছে।
গত বছরের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ব্যাংকটি শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ১ টাকা ৮১ পয়সা। আগের বছর আয় ছিল ২ টাকা ১১ পয়সা (সমন্বিত)।
অর্থাৎ ব্যাংকটি গত বছরের চেয়ে আয় কম করেছে ১৫ শতাংশ।
রোববার ব্যাংকটির দামের বিবেচনায় এই লভ্যাংশকে আকর্ষণীয় বলা যায়। এদিন ১৩ টাকা ১০ পয়সায় হাতবদল হয়েছে শেয়ার।
এই হিসেবে শেয়ার দরের ৭.৬৩ শতাংশ লভ্যাংশ হিসেবে পাবেন বিনিয়োগকারীরা।
দামের তুলনায় লভ্যাংশের এই হিসাবটি পুঁজিবাজারে ইল্ড হিসেবে পরিচিত। এই ইল্ড সুদহারের চেয়ে বেশি হলে সেটাকে আকর্ষণীয় বলা যায়। বর্তমানে বাংকে টাকা রাখলে সাড়ে চার থেকে ৬ শতাংশ সুদ পাওয়া যায়।
আগামী ৩ জুন যারা শেয়ারটি ধরে রাখবেন, তারাই এই লভ্যাংশ পাবেন। আর পরিচালনা পর্ষদের প্রস্তাব চূড়ান্ত হবে আগামী ৩০ জুন বার্ষিক সাধারণ সভায়। করোনা পরিস্থিতিতে এবার বার্ষিক সাধারণ সভা হবে ভার্চুয়ালি।
চলতি অর্থবছরে আরও ভালো করার আভাস
গত বছর কম আয় করলেও আগামী অর্থবছরে ঘুরে দাঁড়ানোর আভাস পাওয়া গেছে ব্যাংকটির প্রথম প্রান্তিকে।
জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত তিন মাসে ব্যাংকটি গত বছরের আয়ের প্রায় ৬৭ শতাংশ অর্জন করে ফেলেছে।
বোর্ডসভা শেষে জানানো হয় এই তিন মাসে ব্যাংকটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ১ টাকা ২২ পয়সা। এটি গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ২৫ শতাংশ বেশি।
গত বছর প্রথম প্রান্তিকে আয় হয়েছিল ৯৬ পয়সা।